
সম্মানিত,
১১নং নোয়াবাদ ইউনিয়নবাসী,
আস্সালামু আলাইকুম।
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।
প্রিয় ইউনিয়নবাসী গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে বিপুল ভোটে ১১নং নোয়াবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় আল্লাহ্ তায়ালার দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া এবং আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।
সুপ্রিয় নোয়াবাদ ইউনিয়নবাসী- আপনারা অবগত আছেন যে, ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস পরিক্রমায় ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, যা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামের আদলে অতিবাহিত করেছে ১৪২ বছরের পথ। অর্থনৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধের দিক হতে এই প্রতিষ্ঠানটি শক্তিশালী করণের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (স্থানীয় সরকার বিভাগ) প্রনীত নীতিমালা অনুযায়ী সকল প্রকার নাগরিক সেবা যেমন: জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, চারিত্রিক সনদ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট সহ ইউনিয়ন পরিষদের ৪৫টি সেবা প্রাপ্তিতে হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় মানুষের নানাবিধ কল্যানে শতভাগ সফলতা অর্জনে অনেকটাই আপনাদের ভূমিকা রয়েছে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ বছর অন্তর অন্তর হোল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট করতে হয়। ডিজিটালাইজেশনের যুগে পিছিয়ে পড়া ইউনিয়ন পরিষদ গুলোকে ট্যাক্স উত্তোলনের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য স্থানীয় সরকার বারবার তাগিদ দিচ্ছেন। এরই প্রেক্ষিতে আপনাদের মূল্যবান আমানত ইউনিয়ন পরিষদের হোল্ডিং ট্যাক্স (কর) সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকার জন্য অনলাইন হোল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট করা ও QR Code সম্বলিত তথ্যবহুল একটি ডিজিটাল পাশ বহি গ্রহণ করতে হবে। কালের পরিক্রমায় দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে পট পরিবর্তনের অগ্রযাত্রায় ইউনিয়নবাসির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি